মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক দাবা দিবস: মেধা, ধৈর্য ও কৌশলের অনন্য পাঠ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৬ এএম
আন্তর্জাতিক দাবা দিবস: মেধা, ধৈর্য ও কৌশলের অনন্য পাঠ
google news দৈনিক নিউজ পোর্টাল এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

সম্পাদকীয়

আন্তর্জাতিক দাবা দিবস: মেধা, ধৈর্য ও কৌশলের অনন্য পাঠ

প্রতি বছর ২০ জুলাই বিশ্বব্যাপী পালিত হয় আন্তর্জাতিক দাবা দিবস। ১৯২৪ সালের এই দিনে আন্তর্জাতিক দাবা ফেডারেশন (FIDE) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সেই স্মরণে জাতিসংঘের স্বীকৃতিতে দিবসটি আজ বিশ্বজুড়ে মেধা, কৌশল ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার প্রতীক হিসেবে পালিত হচ্ছে।

দাবা শুধু একটি খেলা নয়, এটি চিন্তা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের এক অনন্য বিদ্যালয়। একটি দাবার বোর্ডে ৬৪টি ঘর এবং ৩২টি ঘুঁটির মধ্যেই লুকিয়ে থাকে পরিকল্পনা, ধৈর্য, দূরদর্শিতা ও নেতৃত্বের শিক্ষা। জীবনের মতোই দাবায় প্রতিটি পদক্ষেপ ভেবেচিন্তে নিতে হয়। একটি ভুল চাল যেমন পুরো খেলাকে বদলে দিতে পারে, তেমনি জীবনের ভুল সিদ্ধান্তও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর যুগে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মনোযোগের ঘাটতি ও অস্থিরতা বাড়ছে বলে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন। এ অবস্থায় দাবা হতে পারে একটি কার্যকর মানসিক ব্যায়াম। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত দাবা চর্চা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা উন্নয়ন এবং যৌক্তিক চিন্তাভাবনা গড়ে তুলতে সহায়তা করে।

বাংলাদেশেও দাবার জনপ্রিয়তা ক্রমশ বাড়ছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের গ্র্যান্ডমাস্টার ও ফিদে মাস্টাররা সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। স্কুল-কলেজ পর্যায়ে দাবা প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে এই খেলায় উৎসাহিত করা প্রয়োজন। কারণ একটি জাতির মেধাভিত্তিক উন্নয়নে খেলাধুলার পাশাপাশি বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চারও সমান গুরুত্ব রয়েছে।

আন্তর্জাতিক দাবা দিবসে আমাদের প্রত্যাশা, দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দাবা চর্চার পরিবেশ আরও বিস্তৃত হবে। নতুন প্রজন্ম মোবাইল ও ভার্চুয়াল বিনোদনের বাইরে এসে চিন্তা, বিশ্লেষণ ও সৃজনশীলতার এই খেলায় আগ্রহী হবে। মেধাবী ও দূরদর্শী নাগরিক গঠনে দাবা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

দাবার বোর্ডে যেমন বিজয়ের জন্য প্রয়োজন ধৈর্য ও কৌশল, তেমনি একটি সমৃদ্ধ জাতি গড়তেও প্রয়োজন সুপরিকল্পিত চিন্তা ও সঠিক সিদ্ধান্ত। আন্তর্জাতিক দাবা দিবস আমাদের সেই শিক্ষাই দেয়।

— সম্পাদক
দৈনিক যায়দিন

“আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে”: সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ ওসমান মাঝির

বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৭ পিএম
“আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে”: সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ ওসমান মাঝির

“আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে”: সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ ওসমান মাঝির

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ওসমান মাঝির বিরুদ্ধে সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত চাঁদাবাজি, জবরদখল ও মাদক কারবারের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ২ টায় বাঞ্ছারামপুর প্রেস ক্লাবে  স্থানীয় সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ওসমান মাঝি বলেন, “একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল এবং আমার সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্য গভীর চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে। ৫ আগস্টের পর থেকে আমার বিরুদ্ধে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি দখল ও চাঁদাবাজির যে কল্পিত অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার সাথে আমার দূরতম কোনো সম্পর্কও নেই।”

তিনি আরও বলেন, “আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কখনোই কোনো অপকর্মের সাথে আমি যুক্ত ছিলাম না। রূপসদী ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষ আমার জীবনযাপন সম্পর্কে অবগত আছেন। মাদক বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথেও আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। একটি কুচক্রী মহল আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।”

এ সময় তিনি পুরো ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ প্রশাসনিক তদন্ত দাবি করেন এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে দেশবাসীর সামনে তা তুলে ধরার জন্য স্থানীয় গণমাধ্যম ও প্রশাসনের প্রতি বিনীত আহ্বান জানান।

বিশ্ব ধূমপান ও মাদকমুক্ত পরিষদের নতুন সভাপতি ঈশিতা হাসান, কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল ইসলাম লাকী প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৫ এএম
বিশ্ব ধূমপান ও মাদকমুক্ত পরিষদের নতুন সভাপতি ঈশিতা হাসান, কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্বোধন

বিশ্ব ধূমপান ও মাদকমুক্ত পরিষদের নতুন সভাপতি ঈশিতা হাসান, কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্বোধন

রাজধানীর পুরানা পল্টনে বিশ্ব ধূমপান ও মাদকমুক্ত পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি মিসেস ঈশিতা হাসানকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে সংগঠনটির নতুন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হয়।

শনিবার (১৭ অক্টোবর ২০২৬) দুপুর ১২টায় পুরানা পল্টন মোড়ের ১৪ নম্বর দারুস সালাম আর্কেডে সংগঠনটির নিজস্ব কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষে কার্যালয়টি বর্ণিল সাজে সাজানো হয়। কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের নেতারা ফুলেল শুভেচ্ছা ও আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে নবনির্বাচিত সভাপতিকে বরণ করে নেন।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন লেখক, গবেষক, সুফি সাধক ও সুফি স্পিরিচুয়াল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খাজা ওসমান ফারুকী। প্রধান অতিথি ছিলেন সাংবাদিক নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার চেয়ারম্যান লায়ন মো. নূর ইসলাম।

সংগঠনটির স্থায়ী পরিষদের চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল ইসলাম লাকী প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সহসভাপতি মুফতি শেখ আজিমউদ্দিন। সঞ্চালনা করেন স্থায়ী পরিষদের সদস্য ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের অর্থ সম্পাদক ইমারত হোসেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ধূমপানকে অনেক ক্ষেত্রে মাদকাসক্তির ঝুঁকিপূর্ণ সূচনা হিসেবে দেখা হয়। তাই ধূমপান প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও সক্রিয় হতে হবে। পাশাপাশি মাদকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে তৃণমূল পর্যায় থেকে ধারাবাহিক কার্যক্রম পরিচালনা করা জরুরি।

বক্তারা আরও বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে শুধু আইন প্রয়োগ যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন, পারিবারিক সচেতনতা এবং তরুণ প্রজন্মকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা। এ ক্ষেত্রে বিশ্ব ধূমপান ও মাদকমুক্ত পরিষদকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তাঁরা। সংগঠনটির পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে অতিথিরা মাদকবিরোধী কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

নেতারা আশা প্রকাশ করেন, নবনির্বাচিত সভাপতি ঈশিতা হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল ইসলাম লাকীর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সব পর্যায়ের নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন। নতুন কেন্দ্রীয় কার্যালয় সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম, পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং মাদকবিরোধী কর্মসূচি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তাঁরা প্রত্যাশা করেন।

অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সোহাগ ইসলাম, সিনিয়র সহসভাপতি নুর আলম, সহসভাপতি সাংবাদিক আব্দুল হান্নান মানিক, আবু বক্কর সিদ্দিক, ডা. মেহেদী হাসান ও আব্দুল মালেক মুন্সী উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনোজ হালদার, সাংবাদিক মো. জিল্লুর রহমান আজাদ, মো. পারভেজ রানা, সাংবাদিক কে এম সুজন, মো. হাফিজুল ইসলাম তালুকদার, সাংবাদিক মারিয়ম আক্তার মারিয়া, সহসাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসিন মোহাম্মদ তুহিন ও মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেনসহ কেন্দ্রীয় কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

উপস্থিত অন্যদের মধ্যে ছিলেন দপ্তর সম্পাদক মো. রাহাত উল্লাহ, সহপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক তারেক রাহিম কিবরিয়া, সহপরিকল্পনা সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ আল সায়েম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক সাদিয়া সুলতানা তৃষা, সহপ্রশিক্ষণ সম্পাদক মো. আবুল বাসার মোল্লা, সহযুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মো. আল ফারুকী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. স্বপন মিয়া, সহসাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. মশিউর রহমান মুরাদ (এম আর মুরাদ), সমবায় ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ রাসেল, মহিলা ও শিশুবিষয়ক সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা তূর্ণা এবং সহমহিলা ও শিশুবিষয়ক সম্পাদক মেহজাবিন আক্তার আঁখি।

এ ছাড়া ত্রাণ, দুর্যোগ ও পুনর্বাসনবিষয়ক সম্পাদক মোসাম্মৎ ইয়াসমিন ইসলাম, সহসম্পাদক মো. জহিরুল হক শিকদার, সহজনশক্তি ও পরিবারকল্যাণ সম্পাদক ফাতেমা বেগম, সাহিত্য ও পাঠাগার সম্পাদক শাহনাজ আখতার শিউলি, ছাত্রছাত্রীবিষয়ক সম্পাদক স্নিগ্ধা, সহযোগাযোগ ও গণপরিবহন সম্পাদক মো. ইয়ামিন ফরাজী, সহস্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মো. পারভেজ এবং নির্বাহী সদস্য বেলায়েত হোসেন, এম এ আজিজ মিন্টু, ফারজানা আক্তার ইতি ও আসাদুজ্জামানসহ বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে সাংস্কৃতিক আয়োজন ও মধ্যাহ্নভোজের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি হয়।

বাঞ্ছারামপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
বাঞ্ছারামপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

দুর্যোগের ঝুঁকি কমানো এবং বিপদ মোকাবিলায় সাধারণ মানুষকে সচেতন করার প্রত্যয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২৬। দিবসটি উপলক্ষে র‍্যালি, অগ্নিনির্বাপণ মহড়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে দুর্যোগের আগে প্রস্তুতি নেওয়া এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ও সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল এমরান খান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রাবেয়া সুলতানা ইভা এবং বাঞ্ছারামপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার আবু জাফর তালুকদার। এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।

দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত র‍্যালিতে দুর্যোগ মোকাবিলায় সচেতনতা ও প্রস্তুতির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা অগ্নিনির্বাপণ মহড়া প্রদর্শন করেন। মহড়ায় আগুন লাগার পর তা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার কৌশল, অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জামের ব্যবহার এবং জরুরি অবস্থায় করণীয় সম্পর্কে বাস্তব ধারণা দেওয়া হয়।

পরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আগাম সতর্কতা, পরিকল্পিত প্রস্তুতি এবং জনসম্পৃক্ততার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করা হয়। বক্তারা দুর্যোগের সময় আতঙ্কিত না হয়ে পরিস্থিতি অনুযায়ী সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া এবং উদ্ধারকাজে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সহযোগিতা করার ওপর গুরুত্ব দেন।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল এমরান খান বলেন, দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। এ জন্য মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি দুর্যোগের আগে, চলাকালে ও পরে কী করণীয়, সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। সরকারি দপ্তর, স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় জনগণ একসঙ্গে কাজ করলে দুর্যোগ মোকাবিলা আরও কার্যকর হবে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।

কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দুর্যোগ মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধি, অগ্নিনিরাপত্তা সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান অর্জন এবং জরুরি পরিস্থিতিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

×