মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

নিউজ নাইন

জাতীয়হোস্ট নিউজ-১ ডেমো নিউজ নাইন

অনলাইন ডেস্ক ।। প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৩, ৫:৩১ পিএম
জাতীয়হোস্ট নিউজ-১ ডেমো নিউজ  নাইন
google news দৈনিক নিউজ পোর্টাল এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

আমি খুব সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে রিয়া। আজ আমার অষ্টম মঙ্গলা। মনটা আমার বেশ খুশি খুশি এটা কখনোই বলতে পারবো না। না, আপনারা যা ভাবছেন ভুল। আপনারা বলবেন বিয়েটা তো আমি নিজেই নিজের ইচ্ছেয় করেছি তাহলে আপত্তিটা কোথায়?

যেটুক খুশি আমায় দেখছেন সেটা আমি বাপের বাড়ি যাচ্ছি বলে শুধু মনটা খুশি। কিন্তু আগামী পরশু আমি আর আমার বর বাবাজীবন যাচ্ছি প্রথমবার একসাথে ঘুরতে থুড়ি মধুচন্দ্রিমা যাপনে। তাই এতো চিন্তা। আসলে অভি আমার ফোনে কথা বলছে না ঠিক মতো সেই বিয়ে দিন থেকে। অথচ ওর কথা বিয়েটা আমি করলাম।

ও হ্যাঁ ভুলেই গেছি, আপনাদের সাথে তো আমার বরের এখনো পরিচয় করাইনি। আমার বর বুবাই দা। আমাদের পরিচয় প্রায় সাত বছর হতে চলল। সেই যখন ক্লাস নাইন আমি যাচ্ছিলাম ঝড়ের বেগে সাইকেল চালিয়ে টিউশন পড়তে। তখন আমি সাইকেল চালানোতে ছেলেদেরও হার মানাই। তো সেই ঝড়ের বেগের সাইকেল এ ধাক্কা লাগলো এক শান্ত সৌম্য নিরীহ ছেলের। সেই ছেলেটিই এই আমার পতিদেব মিস্টার মানব মন্ডল। বিদেশে চাকরি করে কিছু পয়সা-করি করে আজ আমাকে বিয়ে করে জীবনে সবচেয়ে বড় কিছু পাওয়া হয়ে গেছে বলে দাবি করছে।

আজকাল বুবাই হাসতে হাসতে বলে “ধাক্কাটা সেদিন শরীরে লেগেছিল না হৃদয়ে কে জানে”। যাক গে ওর কথা বাদ দিন। তো সেই ঘটনার পর অনেক ওঠানামা আর ভুল বোঝাবুঝি ঠিক বোঝাবুঝির পর আজ আমাদের অষ্টম মঙ্গলা। সে গল্প না হয় আর এক দিন করব। ফিরে আসি আজকের দিনে। আমার অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল যে আমি অভি সাথে হানিমুন যাবো পাহাড়ে। আমার এই ‘আপাত শান্ত মনের দুরন্ত’ বর কে নিয়ে একটু ঘুরতে যাবো।

কিন্তু অভি ফোন ধরছে না কেন? ও বলেছিলো দার্জিলিং যে হোটেলটা ও বুকিং করেছে সেটা ওর বিশেষ জানাশোনা। বুবাই এর গল্পটি ওখানে শেষ করে আমি ওর সম্পত্তিতে রাজ করবো। আমি রাজি হয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু এখন মনটা মানছে না। একটা মানুষের জীবন শেষ করে দেবো, লোকটা তো আমাকে পাগলের মতো ভালোবাসে।

যাক বাঁচা গেলো আজ আমার জন্মদিন। সারপ্রাইজ হিসেবে একটা দলিল উপহার দিয়েছেন বুবাই আমাকে। লাটাগুড়িতে একটা কটেজ কিনেছেন উনি আমার জন্য হানিমুনে যাবো আমরা ওখানেই। সারাদিন বেশ ভালো কাটলো কিন্তু মন খারাপ হলো বিকাল বেলায়।

আমার আর উনার মামাতো বোন অয়ন্তিকার জন্মদিন এক দিনে বিকালে একটা সারপ্রাইজ পার্টি আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেখানেই আমার জন্য ছিলো আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আর অয়ন্তিকার এঙ্গেজমেন্ট। অথচ আমাদের বিয়েতেই ওদের আলাপ। শিল্পপতির মেয়ে বলে বোধহয় অতো তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে অভি।

বাড়ি ফিরে মনটা কিছুতেই ভালো করতে পারলাম না। শুয়ে পরলাম। উনি বললেন “তোমার মোবাইলটা দেবে একটু একটা গেমস খেলবো। দিয়ে দিলাম।” কি ধরণের মানুষ এই লোকটি কে জানে! কি ধাতুর তৈরি কে জানে? আজ উনি অভি আর আমার ঝগড়াটা দেখেছেন। অভি স্পষ্ট বলেছে, আমি বুবাইকে ঠকিয়েছি তাই ও আমাকে ঠকিয়ে কোনো ভুল করেনি।

সকাল বেলায় উঠে আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আয়ন্তিকাও আসলো আমাদের সাথে। দিনটা ভালো কাটলো। মানে আমি চেষ্টা করলাম সব কিছু ভুলে নতুন করে শুরু করতে। অভি বোধহয় আমাকে কোনদিন ভালোবাসে নি। ও বেশ নির্লিপ্ত। অয়ন্তিকাকে খুশি করতে ব্যাস্ত। আয়ন্তিকা হঠাৎ ঠিক করলো বাইক রেসিং করবে। আমি আপত্তি করলাম ঠিকই কিন্তু বুবাই এর ওপর জোর খাটানোর অধিকার বোধহয় আমার হয়নি এখনো। তাই বেশি জোর ফলাতে চাইলাম না। তবে মনে মনে চাইলাম একটা দিনের জন্যে হিরো হোক সবার চোখে।

“আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে”: সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ ওসমান মাঝির

বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৭ পিএম
“আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে”: সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ ওসমান মাঝির

“আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে”: সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ ওসমান মাঝির

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ওসমান মাঝির বিরুদ্ধে সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত চাঁদাবাজি, জবরদখল ও মাদক কারবারের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করা হয়েছে। আজ স্থানীয় সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ওসমান মাঝি বলেন, “একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল এবং আমার সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্য গভীর চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে। ৫ আগস্টের পর থেকে আমার বিরুদ্ধে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি দখল ও চাঁদাবাজির যে কল্পিত অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার সাথে আমার দূরতম কোনো সম্পর্কও নেই।”

তিনি আরও বলেন, “আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কখনোই কোনো অপকর্মের সাথে আমি যুক্ত ছিলাম না। রূপসদী ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষ আমার জীবনযাপন সম্পর্কে অবগত আছেন। মাদক বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথেও আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। একটি কুচক্রী মহল আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।”

এ সময় তিনি পুরো ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ প্রশাসনিক তদন্ত দাবি করেন এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে দেশবাসীর সামনে তা তুলে ধরার জন্য স্থানীয় গণমাধ্যম ও প্রশাসনের প্রতি বিনীত আহ্বান জানান।

বিশ্ব ধূমপান ও মাদকমুক্ত পরিষদের নতুন সভাপতি ঈশিতা হাসান, কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল ইসলাম লাকী প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৫ এএম
বিশ্ব ধূমপান ও মাদকমুক্ত পরিষদের নতুন সভাপতি ঈশিতা হাসান, কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্বোধন

বিশ্ব ধূমপান ও মাদকমুক্ত পরিষদের নতুন সভাপতি ঈশিতা হাসান, কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্বোধন

রাজধানীর পুরানা পল্টনে বিশ্ব ধূমপান ও মাদকমুক্ত পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি মিসেস ঈশিতা হাসানকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে সংগঠনটির নতুন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হয়।

শনিবার (১৭ অক্টোবর ২০২৬) দুপুর ১২টায় পুরানা পল্টন মোড়ের ১৪ নম্বর দারুস সালাম আর্কেডে সংগঠনটির নিজস্ব কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষে কার্যালয়টি বর্ণিল সাজে সাজানো হয়। কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের নেতারা ফুলেল শুভেচ্ছা ও আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে নবনির্বাচিত সভাপতিকে বরণ করে নেন।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন লেখক, গবেষক, সুফি সাধক ও সুফি স্পিরিচুয়াল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খাজা ওসমান ফারুকী। প্রধান অতিথি ছিলেন সাংবাদিক নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার চেয়ারম্যান লায়ন মো. নূর ইসলাম।

সংগঠনটির স্থায়ী পরিষদের চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল ইসলাম লাকী প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সহসভাপতি মুফতি শেখ আজিমউদ্দিন। সঞ্চালনা করেন স্থায়ী পরিষদের সদস্য ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের অর্থ সম্পাদক ইমারত হোসেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ধূমপানকে অনেক ক্ষেত্রে মাদকাসক্তির ঝুঁকিপূর্ণ সূচনা হিসেবে দেখা হয়। তাই ধূমপান প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও সক্রিয় হতে হবে। পাশাপাশি মাদকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে তৃণমূল পর্যায় থেকে ধারাবাহিক কার্যক্রম পরিচালনা করা জরুরি।

বক্তারা আরও বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে শুধু আইন প্রয়োগ যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন, পারিবারিক সচেতনতা এবং তরুণ প্রজন্মকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা। এ ক্ষেত্রে বিশ্ব ধূমপান ও মাদকমুক্ত পরিষদকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তাঁরা। সংগঠনটির পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে অতিথিরা মাদকবিরোধী কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

নেতারা আশা প্রকাশ করেন, নবনির্বাচিত সভাপতি ঈশিতা হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল ইসলাম লাকীর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সব পর্যায়ের নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন। নতুন কেন্দ্রীয় কার্যালয় সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম, পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং মাদকবিরোধী কর্মসূচি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তাঁরা প্রত্যাশা করেন।

অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সোহাগ ইসলাম, সিনিয়র সহসভাপতি নুর আলম, সহসভাপতি সাংবাদিক আব্দুল হান্নান মানিক, আবু বক্কর সিদ্দিক, ডা. মেহেদী হাসান ও আব্দুল মালেক মুন্সী উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনোজ হালদার, সাংবাদিক মো. জিল্লুর রহমান আজাদ, মো. পারভেজ রানা, সাংবাদিক কে এম সুজন, মো. হাফিজুল ইসলাম তালুকদার, সাংবাদিক মারিয়ম আক্তার মারিয়া, সহসাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসিন মোহাম্মদ তুহিন ও মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেনসহ কেন্দ্রীয় কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

উপস্থিত অন্যদের মধ্যে ছিলেন দপ্তর সম্পাদক মো. রাহাত উল্লাহ, সহপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক তারেক রাহিম কিবরিয়া, সহপরিকল্পনা সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ আল সায়েম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক সাদিয়া সুলতানা তৃষা, সহপ্রশিক্ষণ সম্পাদক মো. আবুল বাসার মোল্লা, সহযুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মো. আল ফারুকী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. স্বপন মিয়া, সহসাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. মশিউর রহমান মুরাদ (এম আর মুরাদ), সমবায় ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ রাসেল, মহিলা ও শিশুবিষয়ক সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা তূর্ণা এবং সহমহিলা ও শিশুবিষয়ক সম্পাদক মেহজাবিন আক্তার আঁখি।

এ ছাড়া ত্রাণ, দুর্যোগ ও পুনর্বাসনবিষয়ক সম্পাদক মোসাম্মৎ ইয়াসমিন ইসলাম, সহসম্পাদক মো. জহিরুল হক শিকদার, সহজনশক্তি ও পরিবারকল্যাণ সম্পাদক ফাতেমা বেগম, সাহিত্য ও পাঠাগার সম্পাদক শাহনাজ আখতার শিউলি, ছাত্রছাত্রীবিষয়ক সম্পাদক স্নিগ্ধা, সহযোগাযোগ ও গণপরিবহন সম্পাদক মো. ইয়ামিন ফরাজী, সহস্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মো. পারভেজ এবং নির্বাহী সদস্য বেলায়েত হোসেন, এম এ আজিজ মিন্টু, ফারজানা আক্তার ইতি ও আসাদুজ্জামানসহ বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে সাংস্কৃতিক আয়োজন ও মধ্যাহ্নভোজের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি হয়।

বাঞ্ছারামপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
বাঞ্ছারামপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

দুর্যোগের ঝুঁকি কমানো এবং বিপদ মোকাবিলায় সাধারণ মানুষকে সচেতন করার প্রত্যয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২৬। দিবসটি উপলক্ষে র‍্যালি, অগ্নিনির্বাপণ মহড়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে দুর্যোগের আগে প্রস্তুতি নেওয়া এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ও সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল এমরান খান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রাবেয়া সুলতানা ইভা এবং বাঞ্ছারামপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার আবু জাফর তালুকদার। এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।

দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত র‍্যালিতে দুর্যোগ মোকাবিলায় সচেতনতা ও প্রস্তুতির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা অগ্নিনির্বাপণ মহড়া প্রদর্শন করেন। মহড়ায় আগুন লাগার পর তা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার কৌশল, অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জামের ব্যবহার এবং জরুরি অবস্থায় করণীয় সম্পর্কে বাস্তব ধারণা দেওয়া হয়।

পরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আগাম সতর্কতা, পরিকল্পিত প্রস্তুতি এবং জনসম্পৃক্ততার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করা হয়। বক্তারা দুর্যোগের সময় আতঙ্কিত না হয়ে পরিস্থিতি অনুযায়ী সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া এবং উদ্ধারকাজে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সহযোগিতা করার ওপর গুরুত্ব দেন।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল এমরান খান বলেন, দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। এ জন্য মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি দুর্যোগের আগে, চলাকালে ও পরে কী করণীয়, সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। সরকারি দপ্তর, স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় জনগণ একসঙ্গে কাজ করলে দুর্যোগ মোকাবিলা আরও কার্যকর হবে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।

কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দুর্যোগ মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধি, অগ্নিনিরাপত্তা সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান অর্জন এবং জরুরি পরিস্থিতিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

×