মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

বাঞ্ছারামপুরে সাবেক চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে প্রবাসীর ওপর হামলার অভিযোগ, থানায় মামলা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১:২৮ এএম
বাঞ্ছারামপুরে সাবেক চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে প্রবাসীর ওপর হামলার অভিযোগ, থানায় মামলা
google news দৈনিক নিউজ পোর্টাল এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে পূর্ববিরোধের জেরে এক সৌদি প্রবাসী তরুণের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নের আইডিয়াল প্রিক্যাডেট স্কুলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন সৌদি প্রবাসী আলাউদ্দিন মিয়া (২৫)। তিনি ছলিমাবাদ ইউনিয়নের কনো মিয়ার ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলাউদ্দিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

এ ঘটনায় রোববার (৯ আগস্ট) বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় বর্তমান প্যানেল চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

মামলার এজাহার, উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মী, প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে আলাউদ্দিন মিয়া আইডিয়াল প্রিক্যাডেট স্কুলের সামনে গেলে কয়েকজন ব্যক্তি তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

হামলাকারীরা আলাউদ্দিনের কাছে থাকা নগদ এক লাখ টাকা ও একটি আইফোন নিয়ে গেছে বলেও এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। হামলার একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে তিনি ঘটনাস্থলে পড়ে যান। পরে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।

বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ভিপি একেএম মুছা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ ও তার সহযোগীরা এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। আলাউদ্দিন তার সঙ্গে দেখা করতে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ের দিকে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হন বলেও তিনি দাবি করেন।

তবে মামলার আসামি প্যানেল চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, হামলার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলায় আসামি করা হয়েছে। তার জনপ্রিয়তাকে কেউ কেউ ভয় পায় বলেও দাবি করেন তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ বলেন, সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, তবে তা আগে আলাউদ্দিনই শুরু করেছেন বলে তার দাবি। তার লোকজন পরিস্থিতি প্রতিহত করেছে বলেও জানান তিনি।

অন্যদিকে আহত আলাউদ্দিনের পরিবারের অভিযোগ, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াছিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

“আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে”: সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ ওসমান মাঝির

বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৭ পিএম
“আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে”: সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ ওসমান মাঝির

“আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে”: সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ ওসমান মাঝির

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ওসমান মাঝির বিরুদ্ধে সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত চাঁদাবাজি, জবরদখল ও মাদক কারবারের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ২ টায় বাঞ্ছারামপুর প্রেস ক্লাবে  স্থানীয় সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ওসমান মাঝি বলেন, “একটি কুচক্রী মহল রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল এবং আমার সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্য গভীর চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে। ৫ আগস্টের পর থেকে আমার বিরুদ্ধে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি দখল ও চাঁদাবাজির যে কল্পিত অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার সাথে আমার দূরতম কোনো সম্পর্কও নেই।”

তিনি আরও বলেন, “আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কখনোই কোনো অপকর্মের সাথে আমি যুক্ত ছিলাম না। রূপসদী ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষ আমার জীবনযাপন সম্পর্কে অবগত আছেন। মাদক বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথেও আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। একটি কুচক্রী মহল আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।”

এ সময় তিনি পুরো ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ প্রশাসনিক তদন্ত দাবি করেন এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে দেশবাসীর সামনে তা তুলে ধরার জন্য স্থানীয় গণমাধ্যম ও প্রশাসনের প্রতি বিনীত আহ্বান জানান।

বিশ্ব ধূমপান ও মাদকমুক্ত পরিষদের নতুন সভাপতি ঈশিতা হাসান, কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্বোধন

মোঃ রেজাউল ইসলাম লাকী প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৫ এএম
বিশ্ব ধূমপান ও মাদকমুক্ত পরিষদের নতুন সভাপতি ঈশিতা হাসান, কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্বোধন

বিশ্ব ধূমপান ও মাদকমুক্ত পরিষদের নতুন সভাপতি ঈশিতা হাসান, কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্বোধন

রাজধানীর পুরানা পল্টনে বিশ্ব ধূমপান ও মাদকমুক্ত পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি মিসেস ঈশিতা হাসানকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে সংগঠনটির নতুন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হয়।

শনিবার (১৭ অক্টোবর ২০২৬) দুপুর ১২টায় পুরানা পল্টন মোড়ের ১৪ নম্বর দারুস সালাম আর্কেডে সংগঠনটির নিজস্ব কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষে কার্যালয়টি বর্ণিল সাজে সাজানো হয়। কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের নেতারা ফুলেল শুভেচ্ছা ও আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে নবনির্বাচিত সভাপতিকে বরণ করে নেন।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন লেখক, গবেষক, সুফি সাধক ও সুফি স্পিরিচুয়াল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খাজা ওসমান ফারুকী। প্রধান অতিথি ছিলেন সাংবাদিক নেতা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার চেয়ারম্যান লায়ন মো. নূর ইসলাম।

সংগঠনটির স্থায়ী পরিষদের চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল ইসলাম লাকী প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সহসভাপতি মুফতি শেখ আজিমউদ্দিন। সঞ্চালনা করেন স্থায়ী পরিষদের সদস্য ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের অর্থ সম্পাদক ইমারত হোসেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ধূমপানকে অনেক ক্ষেত্রে মাদকাসক্তির ঝুঁকিপূর্ণ সূচনা হিসেবে দেখা হয়। তাই ধূমপান প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও সক্রিয় হতে হবে। পাশাপাশি মাদকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে তৃণমূল পর্যায় থেকে ধারাবাহিক কার্যক্রম পরিচালনা করা জরুরি।

বক্তারা আরও বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে শুধু আইন প্রয়োগ যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন, পারিবারিক সচেতনতা এবং তরুণ প্রজন্মকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা। এ ক্ষেত্রে বিশ্ব ধূমপান ও মাদকমুক্ত পরিষদকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তাঁরা। সংগঠনটির পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে অতিথিরা মাদকবিরোধী কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

নেতারা আশা প্রকাশ করেন, নবনির্বাচিত সভাপতি ঈশিতা হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল ইসলাম লাকীর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সব পর্যায়ের নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন। নতুন কেন্দ্রীয় কার্যালয় সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম, পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং মাদকবিরোধী কর্মসূচি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তাঁরা প্রত্যাশা করেন।

অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সোহাগ ইসলাম, সিনিয়র সহসভাপতি নুর আলম, সহসভাপতি সাংবাদিক আব্দুল হান্নান মানিক, আবু বক্কর সিদ্দিক, ডা. মেহেদী হাসান ও আব্দুল মালেক মুন্সী উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনোজ হালদার, সাংবাদিক মো. জিল্লুর রহমান আজাদ, মো. পারভেজ রানা, সাংবাদিক কে এম সুজন, মো. হাফিজুল ইসলাম তালুকদার, সাংবাদিক মারিয়ম আক্তার মারিয়া, সহসাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসিন মোহাম্মদ তুহিন ও মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেনসহ কেন্দ্রীয় কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

উপস্থিত অন্যদের মধ্যে ছিলেন দপ্তর সম্পাদক মো. রাহাত উল্লাহ, সহপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক তারেক রাহিম কিবরিয়া, সহপরিকল্পনা সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ আল সায়েম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক সাদিয়া সুলতানা তৃষা, সহপ্রশিক্ষণ সম্পাদক মো. আবুল বাসার মোল্লা, সহযুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মো. আল ফারুকী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. স্বপন মিয়া, সহসাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. মশিউর রহমান মুরাদ (এম আর মুরাদ), সমবায় ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ রাসেল, মহিলা ও শিশুবিষয়ক সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা তূর্ণা এবং সহমহিলা ও শিশুবিষয়ক সম্পাদক মেহজাবিন আক্তার আঁখি।

এ ছাড়া ত্রাণ, দুর্যোগ ও পুনর্বাসনবিষয়ক সম্পাদক মোসাম্মৎ ইয়াসমিন ইসলাম, সহসম্পাদক মো. জহিরুল হক শিকদার, সহজনশক্তি ও পরিবারকল্যাণ সম্পাদক ফাতেমা বেগম, সাহিত্য ও পাঠাগার সম্পাদক শাহনাজ আখতার শিউলি, ছাত্রছাত্রীবিষয়ক সম্পাদক স্নিগ্ধা, সহযোগাযোগ ও গণপরিবহন সম্পাদক মো. ইয়ামিন ফরাজী, সহস্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মো. পারভেজ এবং নির্বাহী সদস্য বেলায়েত হোসেন, এম এ আজিজ মিন্টু, ফারজানা আক্তার ইতি ও আসাদুজ্জামানসহ বিভিন্ন বিভাগ ও জেলা কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে সাংস্কৃতিক আয়োজন ও মধ্যাহ্নভোজের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি হয়।

বাঞ্ছারামপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৬ এএম
বাঞ্ছারামপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

দুর্যোগের ঝুঁকি কমানো এবং বিপদ মোকাবিলায় সাধারণ মানুষকে সচেতন করার প্রত্যয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২০২৬। দিবসটি উপলক্ষে র‍্যালি, অগ্নিনির্বাপণ মহড়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে দুর্যোগের আগে প্রস্তুতি নেওয়া এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ও সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল এমরান খান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রাবেয়া সুলতানা ইভা এবং বাঞ্ছারামপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার আবু জাফর তালুকদার। এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।

দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত র‍্যালিতে দুর্যোগ মোকাবিলায় সচেতনতা ও প্রস্তুতির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা অগ্নিনির্বাপণ মহড়া প্রদর্শন করেন। মহড়ায় আগুন লাগার পর তা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার কৌশল, অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জামের ব্যবহার এবং জরুরি অবস্থায় করণীয় সম্পর্কে বাস্তব ধারণা দেওয়া হয়।

পরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আগাম সতর্কতা, পরিকল্পিত প্রস্তুতি এবং জনসম্পৃক্ততার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করা হয়। বক্তারা দুর্যোগের সময় আতঙ্কিত না হয়ে পরিস্থিতি অনুযায়ী সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া এবং উদ্ধারকাজে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সহযোগিতা করার ওপর গুরুত্ব দেন।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল এমরান খান বলেন, দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। এ জন্য মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি দুর্যোগের আগে, চলাকালে ও পরে কী করণীয়, সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। সরকারি দপ্তর, স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় জনগণ একসঙ্গে কাজ করলে দুর্যোগ মোকাবিলা আরও কার্যকর হবে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।

কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দুর্যোগ মোকাবিলায় সচেতনতা বৃদ্ধি, অগ্নিনিরাপত্তা সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান অর্জন এবং জরুরি পরিস্থিতিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

×