বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩

বাঞ্ছারামপুরে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা চাঁদার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৬ পিএম
বাঞ্ছারামপুরে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা চাঁদার অভিযোগ
google news দৈনিক নিউজ পোর্টাল এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে পৌর যুবদলের আহ্বায়ক ঈমান আলীর বিরুদ্ধে ভয়ভীতি দেখিয়ে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন অরণ্য ডিজিটাল এগ্রো অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জামাল হোসেন মুকুল। একই সঙ্গে ঈমান আলীর বিরুদ্ধে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার কলেজ রোডে অবস্থিত নিজ প্রতিষ্ঠানে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন জামাল হোসেন।

সংবাদ সম্মেলনে জামাল হোসেন দাবি করেন, গত ৫ আগস্টের পর থেকে যুবদল নেতা ঈমান আলী তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং জিম্মি করে কয়েক দফায় মোট ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা নেন। পরবর্তীতে আরও টাকা দাবি করা হলে তিনি দিতে অস্বীকৃতি জানান। এরপরই তার প্রতিষ্ঠান ও তাকে নিয়ে ঈমান আলী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুক লাইভে বিভিন্ন অভিযোগ ও কুৎসা প্রচার করেন বলে দাবি করেন তিনি।

এর আগে গত ৮ আগস্ট ঈমান আলী অরণ্য ডিজিটালসহ জামাল হোসেনকে নিয়ে ফেসবুক লাইভে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন।

এদিকে চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ঈমান আলী। তার দাবি, জামাল হোসেন একজন প্রতারক এবং তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

ঈমান আলী বলেন, অরণ্য ডিজিটাল প্রতিষ্ঠার আগে বরগুনায় ‘মোনামী আল বাংলাদেশ’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে। তার দাবি, বাঞ্ছারামপুরেও একই ধরনের কর্মকাণ্ডের আশঙ্কা রয়েছে। এসব বিষয়ে মানুষকে সতর্ক করতেই তিনি ফেসবুক লাইভে কথা বলেছেন বলে জানান।

বিষয়টি নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন মাহমুদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ঈমান আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি তারা জানতে পেরেছেন। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে আলোচনা চলছে।

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আবু সাইদ বলেন, ঈমান আলীর বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অরণ্য ডিজিটালের জামাল হোসেন ও ঈমান আলীর পাল্টাপাল্টি অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে অরণ্য ডিজিটালের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, বরগুনার ‘মোনামী’ অধ্যায়ের কার্যক্রম নিয়ম অনুযায়ী বন্ধ করা হয়েছে। বর্তমানে বাঞ্ছারামপুরে গত ছয় বছর ধরে অরণ্য ডিজিটাল এগ্রো অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেডের মাধ্যমে কৃষিভিত্তিক উন্নয়ন প্রকল্প, ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালনা করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে পৌর কৃষক দলের আহ্বায়ক কাবিল হোসেনসহ প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

মানতা সম্প্রদায়ে এন্টি চাইল্ড ম্যারেজ অর্গানাইজেশন এর সচেতনতা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪৯ পিএম
মানতা সম্প্রদায়ে এন্টি চাইল্ড ম্যারেজ অর্গানাইজেশন এর সচেতনতা

বরিশালের লাহার হাটে, নদীর বুকে ভাসতে থাকা এক টুকরো জনপদ। কাঠের নৌকাই যাদের ঘর, ঢেউয়ের দোলাই যাদের নিত্যসঙ্গী। এই ভাসমান মানতা সম্প্রদায়ের প্রায় ১২৮টি পরিবার নদীর বুকেই কাটিয়ে দেয় জীবনের প্রতিটি দিন, প্রতিদিন বেঁচে থাকার লড়াই করে যায় নীরবে, চোখের আড়ালে। সেই নীরবতা ভেঙে সম্প্রতি তাদের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল এন্টি চাইল্ড ম্যারেজ অর্গানাইজেশন।

সংগঠনের অর্গানাইজিং সেক্রেটারি মাহিন আলম আম্মান নৌকায় নৌকায় গিয়ে বসেন মানতা পরিবারগুলোর পাশে। তিনি শোনেন তাদের মনের কথা। অল্প বয়সে বিয়ে হওয়ার কারণে শরীরে-মনে যে ক্ষত তৈরি হয়েছে, সংসারের ভার বইতে গিয়ে যে কষ্ট সয়েছেন এই মায়েরা, সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে যে স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখোমুখি হয়েছেন তারা। এই সফরে তার সঙ্গে ছিলেন এন্টি চাইল্ড ম্যারেজ অর্গানাইজেশনের বরিশালের চেঞ্জমেকাররা, যারা মাঠপর্যায়ে এই পরিবর্তনের কারিগর। শুধু বাল্যবিবাহ নিয়েই নয়, আম্মান তাদের সঙ্গে কথা বলেন তাদের মৌলিক অধিকার নিয়েও, একজন নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের কাছ থেকে তারা কী কী সুযোগ-সুবিধা ও সরকারি সেবা পাওয়ার যোগ্য, আর সেগুলো কীভাবে নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে তাদের সচেতন করেন। পাশাপাশি মা ও শিশুস্বাস্থ্যের যত্ন নিয়েও কথা বলেন, নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা আর সচেতনতার মাধ্যমে কীভাবে অনেক ঝুঁকি এড়ানো যায় সে পরামর্শও দেন।
নদীর জলে ভাসমান এই সংসারে বেড়ে ওঠা নারীদের অনেকেরই বিয়ে হয়ে গেছে কিশোরী বয়সেই। মাছ ধরাই এই পরিবারগুলোর একমাত্র জীবিকা। নদীর জলে জাল ফেলে যা ওঠে, তা দিয়েই চলে সংসার। কোনো দিন মাছ না পেলে সেদিন চুলায় হাঁড়ি চড়ে না, না খেয়ে রাত কাটাতে হয় সন্তানদের নিয়ে। অল্প বয়সে মা হওয়া, পুষ্টির অভাব, চিকিৎসাসেবার নাগালের বাইরে থাকা, আর প্রতিটি দিনের অনিশ্চয়তা। এসব মিলিয়ে তাদের জীবনযুদ্ধ যেন কোনো শেষ না হওয়া গল্প। তবু সংকীর্ণ নৌকার কোণে বসে তারা স্বপ্ন দেখেন, তাদের সন্তানরা যেন তাদের মতো এই কষ্টের চক্রে না জড়ায়। কথোপকথনে বারবার উঠে আসে বাল্যবিবাহের ক্ষত অপরিণত বয়সে গর্ভধারণের স্বাস্থ্যঝুঁকি, স্কুলের চৌকাঠ না পেরোনোর আক্ষেপ, সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তাহীনতা। মাহিন আলম আম্মান ও তার সহযোগী চেঞ্জমেকাররা এসব পরিবারকে বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর দিক নিয়ে সচেতন করেন, আর কন্যাশিশুদের শিক্ষা ও সুরক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
শুধু কথা বলা আর শোনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেননি আম্মান। সারাদিন তিনি মিলেমিশে গিয়েছিলেন মানতা পরিবারগুলোর সঙ্গে, তাদের নৌকায় বসে সময় কাটিয়েছেন, বাচ্চাদের সঙ্গে হেসেছেন, মায়েদের পাশে বসে তাদের রান্না-বান্না আর সংসারের গল্প শুনেছেন। এই কাছে থাকা, এই মিশে যাওয়ার মধ্য দিয়েই মানতাদের আস্থা অর্জন করা সহজ হয়ে ওঠে, আর তাদের মনের গহীনের কথাগুলোও উঠে আসে অকপটে।
এই যাত্রায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট, যারা দ্যা এশিয়া ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় লাহার হাট ফেরিঘাটে মানতা সম্প্রদায়ের শিশুদের জন্য গড়ে তুলেছে একটি ডিজিটাল লার্নিং সেন্টার। “অ্যাক্সেস টু লার্নিং” নামের এই কমিউনিটি-ভিত্তিক শিক্ষা উদ্যোগ ভাসমান মানতা শিশুদের জন্য শিক্ষার প্রদীপ জ্বালিয়ে রেখেছে, আর সেই আলোই হয়ে উঠতে পারে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের দীর্ঘমেয়াদী হাতিয়ার। জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের এই মানতা প্রোজেক্টের ফ্যাসিলিটেটর সুমন রহমান এই পুরো কার্যক্রমে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করেন, স্থানীয় পরিবার আর সংগঠনের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তোলেন নিজের হাতে।
মানতাদের মতো ভাসমান জনগোষ্ঠীর কাছে সচেতনতার আলো পৌঁছানো সহজ নয়। তাদের ঠিকানা বদলায় স্রোতের সাথে, জীবন বাঁধা থাকে দাঁড় আর পালের ছন্দে। তবু এই ধরনের প্রত্যক্ষ, মানবিক উদ্যোগ প্রমাণ করে দেয়। বদলের শুরুটা হয় মানুষের পাশে বসে তার কথা শোনা দিয়েই। এন্টি চাইল্ড ম্যারেজ অর্গানাইজেশনের এই ছোট্ট উদ্যোগ যেন নদীর বুকে ভাসতে থাকা এক টুকরো আশা যেখানে বাল্যবিবাহের অন্ধকার সরিয়ে ধীরে ধীরে জ্বলে উঠছে সচেতনতার প্রদীপ।

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থায় সাংগঠনিক পরিবর্তন, মহাসচিব হলেন ঈশিতা হাসান

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:৫১ এএম
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থায় সাংগঠনিক পরিবর্তন, মহাসচিব হলেন ঈশিতা হাসান

নিজস্ব প্রতিবেদক: মোঃ রেজাউল ইসলাম লাকী

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা (জেএসএস) কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের জরুরি সভায় সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় বর্তমান মহাসচিব মোঃ শোয়েব রহমানকে মহাসচিবের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাহী পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সিদ্ধান্তে ঈশিতা হাসানকে নতুন মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

সোমবার (২৪ আগস্ট ২০২৬) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর পুরানা পল্টনের ২২/১ তোপখানা রোডে বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদের দ্বিতীয় তলার কনফারেন্স হলে এ জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনের চেয়ারম্যান লায়ন মোঃ নূর ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভাটি পরিচালনা ও সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রেজাউল ইসলাম লাকী। কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সভার কার্যক্রম শুরু করেন অর্থবিষয়ক সম্পাদক মুফতি শেখ আজিম উদ্দিন।

সভায় স্বাগত বক্তব্যে চেয়ারম্যান লায়ন মোঃ নূর ইসলাম আগের মাসিক সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন পরিস্থিতি তুলে ধরেন। পরে কেন্দ্রীয় নেতাদের বক্তব্যে পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন অসংগতি ও সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতার বিষয় উঠে আসে।

আলোচনা শেষে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও সক্রিয় ও গতিশীল করার লক্ষ্যে নেতৃত্বে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সর্বসম্মতিক্রমে মোঃ শোয়েব রহমানকে মহাসচিবের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। এরপর নির্বাহী পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে স্থায়ী পরিষদের সদস্য ও কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ঈশিতা হাসানকে মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

এছাড়া সভায় মুন্সীগঞ্জ জেলা জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার জন্য এক মাস মেয়াদি পাঁচ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করা হয়। কমিটিতে আব্দুল কুদ্দুস ঢালীকে আহ্বায়ক, মোঃ দুলাল হোসেনকে সদস্য সচিব, আবুল কেরামত জুনায়েদকে যুগ্ম মহাসচিব এবং মোঃ জাহিদুল ইসলামকে শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক করা হয়েছে।

সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, আগামী ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির নতুন কার্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে।

জরুরি সভায় কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোঃ আলতাফ হোসেন, রেজাউল হাবিব রেজা, লায়ন এবিএম সোবহান হাওলাদার, এইচ এম দুলাল, সৈয়দ ওমর ফারুক, আশরাফুল ইসলাম রঞ্জু, ঈশিতা হাসান, যুগ্ম মহাসচিব শওকত আলী ও হাসান আলীসহ কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া অর্থবিষয়ক সম্পাদক মুফতি শেখ আজিমউদ্দিন, ঢাকা বিভাগীয় সভাপতি মোঃ সোহাগ ইসলাম, ঢাকা বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আরাফাত ইয়াসিন, সহদপ্তর সম্পাদক মোঃ ছায়েদুল ইসলাম, সহপ্রচার সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশফাক আহমেদ চৌধুরী, তথ্য গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কে এম সুজন, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ক সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম তালুকদার, শিল্প-বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান মিজান, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ইমারত হোসেন, সহমহিলা বিষয়ক সম্পাদক মারিয়া আক্তার, সহপ্রাণী, দুর্যোগ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জহিরুল হক সিকদার, নির্বাহী সদস্য ইয়াসিন মোঃ তুহিন, সদস্য হারুন মাহমুদ ববি, শাকিল আল ফারুকী, ফাতেমা আক্তার ও নাজিয়া আলম বর্ষাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ সভায় অংশ নেন।

সভায় বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান, ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিন ফারুকী এবং ঢাকা বিভাগীয় সহ-সভাপতি ফাতেমা আক্তারসহ ঢাকা মহানগর ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

বাঞ্ছারামপুরে নতুন ইউএনও আল এমরান খাঁন, স্থানীয়দের প্রত্যাশা জনবান্ধব প্রশাসন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩৩ এএম
বাঞ্ছারামপুরে নতুন ইউএনও আল এমরান খাঁন, স্থানীয়দের প্রত্যাশা জনবান্ধব প্রশাসন

বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ৩৭তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা মোঃ আল এমরান খাঁন

মাঠ প্রশাসনে দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে মোঃ আল এমরান খাঁনের। ভূমি প্রশাসন থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তিনি প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তাঁর এই অভিজ্ঞতা বাঞ্ছারামপুরের সরকারি সেবা, আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

কুমিল্লা জেলার সন্তান মোঃ আল এমরান খাঁন ৩৭তম বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে প্রশাসন ক্যাডারে যোগ দেন। চাকরিজীবনের শুরু থেকে মাঠ প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর তিনি চাঁদপুর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের মে মাস থেকে ২০২৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত চাঁদপুর সদরে দায়িত্ব পালনকালে ভূমি সংক্রান্ত সরকারি সেবা মানুষের কাছে সহজে পৌঁছে দিতে কাজ করেন তিনি।

পরবর্তীতে চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর পদোন্নতি ও বদলির ধারাবাহিকতায় নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পান। সেখানে দায়িত্ব পালনের পর সম্প্রতি তাঁকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে পদায়ন করা হয়।

নতুন ইউএনওর দায়িত্ব গ্রহণকে ঘিরে স্থানীয় সচেতন মহলের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। তাঁদের প্রত্যাশা, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে মোঃ আল এমরান খাঁন সাধারণ মানুষের সরকারি সেবা প্রাপ্তির পথ আরও সহজ করবেন।

বিশেষ করে ভূমি ও প্রশাসনিক সেবা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন এবং নাগরিক হয়রানি কমাতে তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

বাঞ্ছারামপুরের মানুষের প্রত্যাশা, একজন দক্ষ ও জনবান্ধব প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি উপজেলার সমস্যা ও সম্ভাবনাগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবেন।

মাঠ প্রশাসনে অর্জিত অভিজ্ঞতা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে নতুন কর্মস্থলেও মানুষের আস্থা অর্জন করবেন মোঃ আল এমরান খাঁন, এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের। নতুন দায়িত্বে তাঁর সফলতা কামনা করেছেন স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

×