মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

জাতীয়হোস্ট নিউজ-১ ডেমো নিউজ ওয়ান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৩, ২:৫৮ পিএম
জাতীয়হোস্ট নিউজ-১ ডেমো নিউজ  ওয়ান
google news দৈনিক নিউজ পোর্টাল এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

আমি খুব সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে রিয়া। আজ আমার অষ্টম মঙ্গলা। মনটা আমার বেশ খুশি খুশি এটা কখনোই বলতে পারবো না। না, আপনারা যা ভাবছেন ভুল। আপনারা বলবেন বিয়েটা তো আমি নিজেই নিজের ইচ্ছেয় করেছি তাহলে আপত্তিটা কোথায়?

যেটুক খুশি আমায় দেখছেন সেটা আমি বাপের বাড়ি যাচ্ছি বলে শুধু মনটা খুশি। কিন্তু আগামী পরশু আমি আর আমার বর বাবাজীবন যাচ্ছি প্রথমবার একসাথে ঘুরতে থুড়ি মধুচন্দ্রিমা যাপনে। তাই এতো চিন্তা। আসলে অভি আমার ফোনে কথা বলছে না ঠিক মতো সেই বিয়ে দিন থেকে। অথচ ওর কথা বিয়েটা আমি করলাম।

ও হ্যাঁ ভুলেই গেছি, আপনাদের সাথে তো আমার বরের এখনো পরিচয় করাইনি। আমার বর বুবাই দা। আমাদের পরিচয় প্রায় সাত বছর হতে চলল। সেই যখন ক্লাস নাইন আমি যাচ্ছিলাম ঝড়ের বেগে সাইকেল চালিয়ে টিউশন পড়তে। তখন আমি সাইকেল চালানোতে ছেলেদেরও হার মানাই। তো সেই ঝড়ের বেগের সাইকেল এ ধাক্কা লাগলো এক শান্ত সৌম্য নিরীহ ছেলের। সেই ছেলেটিই এই আমার পতিদেব মিস্টার মানব মন্ডল। বিদেশে চাকরি করে কিছু পয়সা-করি করে আজ আমাকে বিয়ে করে জীবনে সবচেয়ে বড় কিছু পাওয়া হয়ে গেছে বলে দাবি করছে।

আজকাল বুবাই হাসতে হাসতে বলে “ধাক্কাটা সেদিন শরীরে লেগেছিল না হৃদয়ে কে জানে”। যাক গে ওর কথা বাদ দিন। তো সেই ঘটনার পর অনেক ওঠানামা আর ভুল বোঝাবুঝি ঠিক বোঝাবুঝির পর আজ আমাদের অষ্টম মঙ্গলা। সে গল্প না হয় আর এক দিন করব। ফিরে আসি আজকের দিনে। আমার অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল যে আমি অভি সাথে হানিমুন যাবো পাহাড়ে। আমার এই ‘আপাত শান্ত মনের দুরন্ত’ বর কে নিয়ে একটু ঘুরতে যাবো।

কিন্তু অভি ফোন ধরছে না কেন? ও বলেছিলো দার্জিলিং যে হোটেলটা ও বুকিং করেছে সেটা ওর বিশেষ জানাশোনা। বুবাই এর গল্পটি ওখানে শেষ করে আমি ওর সম্পত্তিতে রাজ করবো। আমি রাজি হয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু এখন মনটা মানছে না। একটা মানুষের জীবন শেষ করে দেবো, লোকটা তো আমাকে পাগলের মতো ভালোবাসে।

যাক বাঁচা গেলো আজ আমার জন্মদিন। সারপ্রাইজ হিসেবে একটা দলিল উপহার দিয়েছেন বুবাই আমাকে। লাটাগুড়িতে একটা কটেজ কিনেছেন উনি আমার জন্য হানিমুনে যাবো আমরা ওখানেই। সারাদিন বেশ ভালো কাটলো কিন্তু মন খারাপ হলো বিকাল বেলায়।

আমার আর উনার মামাতো বোন অয়ন্তিকার জন্মদিন এক দিনে বিকালে একটা সারপ্রাইজ পার্টি আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেখানেই আমার জন্য ছিলো আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আর অয়ন্তিকার এঙ্গেজমেন্ট। অথচ আমাদের বিয়েতেই ওদের আলাপ। শিল্পপতির মেয়ে বলে বোধহয় অতো তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে অভি।

বাড়ি ফিরে মনটা কিছুতেই ভালো করতে পারলাম না। শুয়ে পরলাম। উনি বললেন “তোমার মোবাইলটা দেবে একটু একটা গেমস খেলবো। দিয়ে দিলাম।” কি ধরণের মানুষ এই লোকটি কে জানে! কি ধাতুর তৈরি কে জানে? আজ উনি অভি আর আমার ঝগড়াটা দেখেছেন। অভি স্পষ্ট বলেছে, আমি বুবাইকে ঠকিয়েছি তাই ও আমাকে ঠকিয়ে কোনো ভুল করেনি।

সকাল বেলায় উঠে আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আয়ন্তিকাও আসলো আমাদের সাথে। দিনটা ভালো কাটলো। মানে আমি চেষ্টা করলাম সব কিছু ভুলে নতুন করে শুরু করতে। অভি বোধহয় আমাকে কোনদিন ভালোবাসে নি। ও বেশ নির্লিপ্ত। অয়ন্তিকাকে খুশি করতে ব্যাস্ত। আয়ন্তিকা হঠাৎ ঠিক করলো বাইক রেসিং করবে। আমি আপত্তি করলাম ঠিকই কিন্তু বুবাই এর ওপর জোর খাটানোর অধিকার বোধহয় আমার হয়নি এখনো। তাই বেশি জোর ফলাতে চাইলাম না। তবে মনে মনে চাইলাম একটা দিনের জন্যে হিরো হোক সবার চোখে।

কিন্তু রেসিং কোন ফল এলোনা। কারণ অভি এক্সিডেন্ট করলো। সন্ধ্যায় অয়ন্তিকা এলো সাথে এলো চাকর ভাবলারাম। জানতে পারলাম ভ্যাবলারাম আসলে অয়ন্তিকার বন্ধু রাজীব সিনহা পুলিশের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। অভির মোবাইল থেকে, আমার ছাড়াও আরো ছয় সাতটি মেয়ের আপত্তিকর ভিডিও , ছবি ডিলিট করা হয়েছে। যাদেরকে ও নিয়মিত ব্লাকমেইল করতো। অভি হয়তো বাঁচবে না। বেঁচে গেলেও আইনের হাত থেকে ওর রক্ষা নেই, কারণ ওর ব্লেকমেইলের ভয়ে আত্মাহত্যা করছে অয়ন্তিকার বান্ধবি সোনালী। ওর চলে যেতেই বুবাই একটা গোলাপ ফুল নিয়ে আমাকে উপহার দিলো। আর বললো গোলাপটা তুলতে গিয়ে সে নাকি অনেক গুলো কাটার আঘাত পেয়েছেন। সেটা দেখালো। আমি জিজ্ঞেস করলাম “আপনি আমাকে ঠিক কতটা ভালোবাসেন”

ও বললো ” তোমার জন্য আমি জীবন দিতে পারি ,আবার নিতেও পারি।”

আমার চোখে জল এসে গেলো।

বাঞ্ছারামপুরে জুলাই শহিদ দিবস পালিত, আলোচনা সভায় শ্রদ্ধা নিবেদন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪১ এএম
বাঞ্ছারামপুরে জুলাই শহিদ দিবস পালিত, আলোচনা সভায় শ্রদ্ধা নিবেদন

বাঞ্ছারামপুরে জুলাই শহিদ দিবস পালিত, আলোচনা সভায় শ্রদ্ধা নিবেদন

বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি

জুলাই আন্দোলনের শহিদদের স্মরণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, শিক্ষক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জুলাই আন্দোলন দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এ আন্দোলনে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের আত্মত্যাগ জাতির জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। শহিদদের আদর্শ ও চেতনা ধারণ করে ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

আলোচনা সভায় সভাপতি হিসেবে বক্তব্য দেন বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ তারিকুল ইসলাম। এছাড়া বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ রবিউল হাসান ভূঁইয়া, বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রঞ্জন বর্মণ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক দেওয়ান মোহাম্মদ নকিবুল হুদা, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল করিম, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোঃ দুধ মিয়া, গণসংহতি আন্দোলনের উপজেলা সমন্বয়ক মোঃ শামীম শিবলী, বাঞ্ছারামপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোল্লা মোঃ নাসির আহমেদ, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কাজী মোঃ লিটন মিয়া, এনসিপির উপজেলা সমন্বয়ক মোঃ মাইনুদ্দিন, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা জাকির হোসাইন এবং খেলাফত মজলিসের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা বাছির উদ্দিন।

এ সময় জুলাই আন্দোলনে আহত মোঃ আজিজুল এবং শহিদ পরিবারের সদস্যরাও তাদের অনুভূতি ও স্মৃতিচারণ তুলে ধরেন। বক্তারা নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই আন্দোলনের প্রকৃত ইতিহাস পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং শহিদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে সামাজিক সম্প্রীতি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ চর্চার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে জুলাই আন্দোলনের শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে আন্দোলনে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হয়।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহকারী প্রোগ্রামার ফজিলাতুননেছা।

আন্তর্জাতিক দাবা দিবস: মেধা, ধৈর্য ও কৌশলের অনন্য পাঠ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ১২:২৬ এএম
আন্তর্জাতিক দাবা দিবস: মেধা, ধৈর্য ও কৌশলের অনন্য পাঠ

সম্পাদকীয়

আন্তর্জাতিক দাবা দিবস: মেধা, ধৈর্য ও কৌশলের অনন্য পাঠ

প্রতি বছর ২০ জুলাই বিশ্বব্যাপী পালিত হয় আন্তর্জাতিক দাবা দিবস। ১৯২৪ সালের এই দিনে আন্তর্জাতিক দাবা ফেডারেশন (FIDE) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সেই স্মরণে জাতিসংঘের স্বীকৃতিতে দিবসটি আজ বিশ্বজুড়ে মেধা, কৌশল ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার প্রতীক হিসেবে পালিত হচ্ছে।

দাবা শুধু একটি খেলা নয়, এটি চিন্তা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের এক অনন্য বিদ্যালয়। একটি দাবার বোর্ডে ৬৪টি ঘর এবং ৩২টি ঘুঁটির মধ্যেই লুকিয়ে থাকে পরিকল্পনা, ধৈর্য, দূরদর্শিতা ও নেতৃত্বের শিক্ষা। জীবনের মতোই দাবায় প্রতিটি পদক্ষেপ ভেবেচিন্তে নিতে হয়। একটি ভুল চাল যেমন পুরো খেলাকে বদলে দিতে পারে, তেমনি জীবনের ভুল সিদ্ধান্তও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর যুগে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মনোযোগের ঘাটতি ও অস্থিরতা বাড়ছে বলে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন। এ অবস্থায় দাবা হতে পারে একটি কার্যকর মানসিক ব্যায়াম। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত দাবা চর্চা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা উন্নয়ন এবং যৌক্তিক চিন্তাভাবনা গড়ে তুলতে সহায়তা করে।

বাংলাদেশেও দাবার জনপ্রিয়তা ক্রমশ বাড়ছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের গ্র্যান্ডমাস্টার ও ফিদে মাস্টাররা সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। স্কুল-কলেজ পর্যায়ে দাবা প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে এই খেলায় উৎসাহিত করা প্রয়োজন। কারণ একটি জাতির মেধাভিত্তিক উন্নয়নে খেলাধুলার পাশাপাশি বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চারও সমান গুরুত্ব রয়েছে।

আন্তর্জাতিক দাবা দিবসে আমাদের প্রত্যাশা, দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দাবা চর্চার পরিবেশ আরও বিস্তৃত হবে। নতুন প্রজন্ম মোবাইল ও ভার্চুয়াল বিনোদনের বাইরে এসে চিন্তা, বিশ্লেষণ ও সৃজনশীলতার এই খেলায় আগ্রহী হবে। মেধাবী ও দূরদর্শী নাগরিক গঠনে দাবা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

দাবার বোর্ডে যেমন বিজয়ের জন্য প্রয়োজন ধৈর্য ও কৌশল, তেমনি একটি সমৃদ্ধ জাতি গড়তেও প্রয়োজন সুপরিকল্পিত চিন্তা ও সঠিক সিদ্ধান্ত। আন্তর্জাতিক দাবা দিবস আমাদের সেই শিক্ষাই দেয়।

— সম্পাদক
দৈনিক যায়দিন

মাদক, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে পারবেন সাধারণ মানুষ

প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকির উদ্যোগে বাঞ্ছারামপুরে অভিযোগ বক্স স্থাপন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩৯ পিএম
প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকির উদ্যোগে বাঞ্ছারামপুরে অভিযোগ বক্স স্থাপন

বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:

জনগণের অভিযোগ, মতামত ও পরামর্শ সরাসরি গ্রহণের লক্ষ্যে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে একটি অভিযোগ ও পরামর্শ বক্স স্থাপন করা হয়েছে। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য জোনায়েদ সাকির উদ্যোগে বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন যুব ফেডারেশনের আহ্বায়ক ও সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক মো. গোলাম মোস্তফা। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের নানা সমস্যা, অভিযোগ ও পরামর্শ দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে নাগরিকরা সহজেই তাদের মতামত ও অভিযোগ জমা দিতে পারবেন, যা প্রশাসনিক সেবার মানোন্নয়ন এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব.) খালিদ হোসেনসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।

বাঞ্ছারামপুর উপজেলা গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক মো. শামীম শিবলী জানান, উপজেলার যেকোনো নাগরিক মাদক, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, হয়রানি কিংবা অন্য যেকোনো অনিয়মের বিষয়ে অভিযোগ ও পরামর্শ জমা দিতে পারবেন। তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পৌরসভা ভবন এবং উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সে একই ধরনের অভিযোগ বক্স স্থাপন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর সেগুলো দ্রুত যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে, যাতে সাধারণ মানুষ কার্যকর প্রতিকার পেতে পারেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, এই উদ্যোগের ফলে জনগণ ও প্রশাসনের মধ্যে যোগাযোগ আরও সহজ হবে এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সেবার মান উন্নত হবে।

×